মুক্তমত
অ্যাটাকইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স থিয়রিতে ছোটবেলায় হাতেনাতে ধরা খেলে আমি প্রথমে ‘খোদার কসম’ খেয়ে নিজের অন্যায়, অপরাধ ও কুকর্মকে
ঢাকা: প্রধান বিরোধী দল বিএনপির ডাকা রোববার সকাল-সন্ধ্যা হরতালে ঢাকা শহর অনেকটাই ফাঁকা ছিল। রাস্তায় ছিল না যানবহন কিংবা মানুষের জট
দুঃখিত জনাব সৈয়দ আবুল মকসুদ ভাই, হরতাল সমর্থন করে আপনি ও আপনাদের কতিপয়ের লেখাটির জন্য। উদ্দেশ্য যত মহান হোক হরতালের নামে দেশের কাজ
ক্লাস ফাইভ। হরতাল দেখব বলে রাস্তায় দাঁড়িয়েছি। রাস্তায় নাকি গাড়ি ঘোড়া চলবে না। মা বাড়ী থেকে বলে দিয়েছে, খবরদার বাজারের দিকে যাসনে।
রিপোর্টিং’এ এই ‘বিশ্বস্ত সূত্রে’র বিষয়টির বিশেষ-বিস্তর ব্যবহার হয়। কিন্তু সূত্রের উল্লেখ নেই, বড়জোর ‘নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
ঢাকা ঃ ১৯৭১ সাল। আমি রাজশাহী সরকারি কলেজের ডিগ্রি পাস কোর্সের ছাত্র।আমি বিএসসি পরীক্ষার ফি জমা দিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে বাড়ি আসি।
এ মাস বিজয়ের। পাশাপাশি শহীদ পরিবারের সদস্য, শহীদ জননী, জায়াদের জন্য স্বজন হারানোর বেদনার, ক্রোধের। সর্বশেষ সেই ক্রোধকে আরও উসকে
খবর: চার মিনিটে ঢাকা সিটি দ্বিখন্ডিত কৈশোরে বিভিন্ন প্রয়োজনে সাধারণ জ্ঞান মুখস্ত করতে হতো। দুটো জিনিস আমার কাছে খুব ইন্টরেস্টিং
২০০৭-এ যখন ঢাকা ছেড়ে আসি তখন এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায়। শেখ হাসিনা-খালেদা জিয়া দুই নেত্রী সংসদ ভবন এলাকার বিশেষ কারাগারে
পারিবারিক ডাক নাম খোকন। ১৯৭১-এ রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে মানুষের সামনে মূর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে
বাজারে তীব্র গুঞ্জন ছিলো জনপ্রিয়তার ধস নামায় বিপর্যস্ত আওয়ামী লীগ মন্ত্রিসভায় রদরদল করে ইমেজ পুনরুদ্ধারে নামছে। গুজব-গুঞ্জন
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে অভিনন্দন। অভিনন্দন ওবায়দুল কাদের, ড. হাছান মাহমুদকে। বাংলাদেশের প্রায় সব পার্লামেন্টের সদস্য, দেশের প্রথম
টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সংবাদপত্রগুলোতে, গত কয়েকদিন ধরে বেশ চমৎকার চমৎকার লেখা প্রকাশিত হচ্ছে। লেখাগুলোতে সুন্দরভাবে চলে এসেছে বাঁধের
কর্নেল (অব.) অলিসহ কতিপয় রাজনীতিক কিছুদিন ধরে নানান সময়সীমায় সরকারের আয়ু বেঁধে দিচ্ছেন। অনেকে তাতে পাত্তা দেননি। কিন্তু সর্বশেষ
দেশের গণতন্ত্র এখন গণভবন আর রোডমার্চে! ওই দুই নিশানা থেকে গণতন্ত্রের যে সব পৃথক বানী আসছে তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াতেই আবর্তিত হচ্ছে
নরসিংদির জনপ্রিয় তরুণ মেয়র লোকমানকে হত্যা করা হয়েছে তারই সংগঠনের কার্যালয়ে। সে-তো মাস অতিক্রম করতে যাচ্ছে। মেয়র হত্যাকান্ডের পর
প্রবাসের সব ছোট বড় শহরে আছে বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এবং তার সহযোগী সংগঠন সমূহের শাখা। কোনোটা
একটা কথিত ঘটনা... যেটা সত্য না হবার সম্ভাবনাই বেশি। বেশিরভাগ প্রচলিত গল্পই কথিত, যেসবের কোন্ও ঐতিহাসিক সত্যতা নেই। তবে বাস্তব
ভারতের সঙ্গে একটার পর একটা সমস্যা লেগেই চলছে! তিস্তা চুক্তির কোন সুরাহা হলো না। মনমোহনের সঙ্গে ঢাকার পর মালদ্বীপেও বৈঠক হলো
আগরতলা (ত্রিপুরা): গৌরি ভট্টাচার্য বা গৌরি বৌদি এ নামেই বাংলাদেশের অনেকে চেনেন তাঁকে। কিন্তু তাঁর ভালো নাম বা আসল নাম এটা নয়।
পুরোনো সংবাদ গুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন