ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

রাজনীতি

খোকার রক্তাক্ত ছবি দিয়ে ইশরাকের পোস্ট, ‘তখন ৭১-এর অবমাননা হয়নি?’

নিউজ ডেস্ক  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮:৩২, আগস্ট ২৯, ২০২৫
খোকার রক্তাক্ত ছবি দিয়ে ইশরাকের পোস্ট, ‘তখন ৭১-এর অবমাননা হয়নি?’ ২০১১ সালের ডিসেম্বরে রাজপথে পুলিশের বেষ্টনীতে সাদেক হোসেন খোকা। ছবি: সংগৃহীত

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা ২০১১ সালে ছাত্রলীগের ক্যাডারদের হামলায় রক্তাক্ত হওয়ার একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে তার ছেলে বিএনপি নেতা প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন লিখেছেন, ‘তখন ৭১-এর অবমাননা হয় নাই? তখন মুক্তিযুদ্ধের অবমাননা হয় নাই?’

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে ইশরাক এই পোস্ট দেন। এরই মধ্যে ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইশরাক লিখেছেন, “সাদেক হোসেন খোকা। ৭১-এ পাকিস্তানিদের কাঁপিয়ে দেওয়া গেরিলা যোদ্ধা খোকা। ২০১১ সালে ছাত্রলীগের হাতে রক্তাক্ত হলেন। হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে অশ্লীল ভঙ্গিতে বলল, গরুর রক্ত মেখে নাটক করছে খোকা। ”

আক্ষেপ করে ইশরাক বলেন, “এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যানসার অবস্থায় জেলে গেছেন, দেশে ইভেন মরার সুযোগটাও পান নাই। তখন কয়জন বিবৃতি দিয়েছিলেন? একজন মুক্তিযোদ্ধার রক্ত দেখে কয়জন কষ্ট পেয়েছিলেন? তখন ৭১-এর অবমাননা হয় নাই? তখন মুক্তিযুদ্ধের অবমাননা হয় নাই?”

“নাকি শুধু লতিফ সিদ্দিকে বকা দিলেই ৭১ হার্ট হয়? আর খোকাদের মেরে ফেললেও ৭১ এর চেতনা অক্ষত থাকে?”

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের বিরুদ্ধে অতীতে আওয়ামী লীগ ও তার অনুসারীদের বিষোদগারের সমালোচনা করে ইশরাক বলেন, “এই বাংলাদেশে স্বাধীনতার ঘোষককে রাজাকার বলা হয়েছে। স্বাধীনতার ঘোষকের স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে, নোংরা কথা বলা হয়েছে। তখন মুক্তিযুদ্ধের অবমাননা হয় নাই? তখন কেন বিবৃতি আসে নাই?”

তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ আমাদের সবার, এই সবার মুক্তিযুদ্ধকে আমরা ওউন করি। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে হলেও আমাদের ৭১ কে সমুন্নত রাখব। কিন্তু যেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দুর্নীতিবাজ, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লতিফ সিদ্দিকীর জন্য দরদ উথলে পড়ে, আর যে চেতনা সাদেক হোসেন খোকার রক্তকে হালাল কইরা দেয়, সেই চেতনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা না, আওয়ামী চেতনা। ”

ইশরাক বলেন, “এই আওয়ামী চেতনাকে আমরা এই দেশে আর কোনোদিন ফেরত আসতে দেব না। লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার। ”

২০১১ সালের ডিসেম্বরে বিএনপির সকাল-সন্ধ্যা হরতালের কর্মসূচি পালনকালে রক্তাক্ত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা। তখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব (বর্তমানে মহাসচিব) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, ‘পুরনো ঢাকার ধোলাইখাল এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়ার পথে সাদেক হোসেন খোকাকে পুলিশি হেফাজতের মধ্যে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা ছুরিকাঘাত করেছে। তার বাম পায়ের ওপরে এই ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। ”

এনডি/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

রাজনীতি এর সর্বশেষ