ঢাকা: বিদ্যুতের সিস্টেম লস কমালে দাম বাড়ানোর প্রয়োজন পড়তো না বলে মনে করেন মিরপুর সেনপাড়ার বাসিন্দা মনিরুজ্জামান।
বুধবার বাংলানিউজের ‘কিভাবে দেখছেন বিদ্যুতের দাম বাড়ানো’ শীর্ষক নাগরিক মন্তব্যে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তার মতে, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি রোধে সরকারকে এ সেক্টরের সব অনিয়ম দূর করতে হবে। যদি সিস্টেম লস বন্ধ করা যায় তাহলে, এটা মূল্যবৃদ্ধি রোধে সহায়ক হবে।
জনগণের প্রতি এ বোঝা চাপিয়ে দেওয়া থেকে বিরত রাখতে মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত প্রকাশ করেন মনিরুজ্জামান।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক স্পেশালিস্ট সাংবাদিক রফিকুল বাসার বলেন, হ্যাঁ লোকাসান কমিয়ে কিছুটা দাম নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা দরকার। যোগ্য ও দক্ষ জনবল আরো বেশি প্রয়োজন। আমি মনে করি কিছু মানুষের ব্যক্তি স্বার্থে যোগ্য ব্যক্তিকে যথাস্থানে রাখা হচ্ছে না। যার কারণে যেটা দরকার সেটা হচ্ছে না।
তবে আমি মনে করি সবার জন্য বিদ্যুৎ বিনামূল্যের বিষয় নয়। যারা বিলাসিতায় বিদ্যুৎ ব্যবহার করে তাদের কাছ থেকে যথাযথ মূল্য রাখা উচিৎ।
গত ১৩ মার্চ বিদ্যুতের মূল্য গড়ে ৬.৯৬ শতাংশ বাড়িয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জানিয়েছে, এ মূল্যবৃদ্ধি ১ মার্চ থেকেই কার্যকর হবে। দাম বৃদ্ধির ফলে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের গড় খুচরা মূল্য ৫.৭৫ টাকা থেকে ৪০ পয়সা বেড়ে ৬.১৫ টাকা হবে।
তবে কৃষিসেচ ও ন্যূনতম ব্যবহারকারীদের দাম বাড়ানো হয়নি। ন্যূনতম ব্যবহার সীমা (লাইফ লাইন) ৭৫ ইউনিট থেকে কমিয়ে ৫০ ইউনিট করা হয়েছে। সকল কোম্পানির বিদ্যমান ন্যূনতম চার্জ, সার্ভিস চার্জ, ডিমান্ড চার্জ এবং বিলম্ব চার্জও অপরিবর্তিত থাকবে।
বাংলাদেশ সময়: ১০৩৬ ঘণ্টা, মার্চ ১৯, ২০১৪