বিশ্বের প্রথম ভাসমান শহর (পরিকল্পনা আনুযায়ী নকশা)
ঢাকা: গভীর সমুদ্রের মধ্যে ভাসছে একটি শহর। সে শহরে রয়েছে সবই। দালান-কোঠা, মাঠ, শপিংমল- কি নেই সেখানে। আশ্চর্য হলেও সত্য এমন শহরের দেখা মিলতে পারে ২০২০ সালের মধ্যেই। মার্কিন প্রতিষ্ঠান সিস্টিডিংয়ের পরিকল্পনা থেকে এমনটাই জানা যায়।
সান ফ্রান্সিস্কো ভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সিস্টিডিং ২০০৮ সাল থেকে সমুদ্রের মধ্যে ভাসমান শহর নির্মাণের পরিকল্পনা করে আসছে। এবার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ শুরু হচ্ছে।
এ লক্ষ্যে সম্প্রতি দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তিও সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
ভাসমান শহরে মানুষের বসবাসের জন্য নির্মাণ করা হবে ঘর-বাড়ি। পর্যটকদের জন্য থাকবে দৃষ্টিনন্দন হোটেল। এছাড়াও থাকছে অফিস-আদালত, হাসপাতাল, রেস্টুরেন্টসহ নানাবিধ সুবিধা। আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন রকম সুযোগ-সুবিধা থাকছে এতে। নির্মাণ কাজ শুরুর আগে আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছেন এর প্রকৌশলীরা।
সিস্টিডের প্রেসিডেন্ট জো কার্ক বলেন, সমুদ্রের উপর ভাসমান শহরটি নির্মাণের পর তা রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করা যেতে পারে। এটি হতে যাচ্ছে রাজনীতিবিদদের কলুষিত হাত থেকে মুক্ত মানবতার তীর্থস্থান। নানারকম সংস্কৃতির সমাহার ঘটবে এ শহরে।
পরিকল্পনা আনুযায়ী শহরটি নির্মাণে খরচ পড়বে ১৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১ ডলার=৮২ টাকা)। পে পালের প্রতিষ্ঠাতা পিটার থিয়েল ইতোমধ্যেই প্রাথমিক অর্থায়নের কাজ সম্পন্ন করেছেন। ‘ইনিশিয়াল কয়েন অফারিং’-এর মাধ্যমে বাদবাকি অর্থ সংগ্রহ করা হবে।
বাংলাদেশ সময়: ০৫৫৫ ঘণ্টা, নভেম্বর ২০, ২০১৭
এনএইচটি/এএ
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।