ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

আন্তর্জাতিক

একটি টুনা বিক্রি হল ৭ লাখ ৩৬ হাজার ডলারে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২২:৩৭, জানুয়ারি ৫, ২০১২

টোকিও: একটি নীল পাখনার টুনা মাছ জাপানের রাজধানী টোকিওতে রেকর্ড দামে বিক্রি হয়েছে। ২৬৯ কিলোগ্রাম ওজনের টুনা মাছটি বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ৩৬ হাজার ডলারে।

গত বছরে একই ধরনের মাছের বিক্রির রেকর্ডের প্রায় দ্বিগুণ।

নীলপাখনার টুনা মাছকে পৃথিবীর  সবচেয়ে উৎকৃষ্ট সুশি (জনপ্রিয় জাপানি খাবার) তৈরির  প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

জাপানে মাছের বিখ্যাত পাইকারী বাজার সুকিজিতে বছরের প্রথম (৫ জানুয়ারি) নিলামেই এই রেকর্ড করা মূল্যে একটি বিরল  নীল পাখনার টুনা বিক্রি হয়। নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা ছিলেন সুশি রেস্টুরেন্ট চেইনের মালিক কিওশি কিমুরা।

২৬৯ কেজি ওজনের টুনা মাছটি প্রতি কেজি হিসেবে বিক্রির ক্ষেত্রে রেকর্ড করে। মাছ বাজারটির একজন কর্মর্কতা ইউটাকা হাসেগাওয়া বলেন, মাছটির প্রতি কেজির মূল্য পড়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ইয়েন বা ডলারের হিসাবে ২ হাজার ৭৩৭ ডলার।

মাছটি জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় উপকূলের  আওমোরি অঞ্চলের ওমা এলাকা থেকে ধরা হয়। গত বছর সুনামিতে এই অংশটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

এদিকে মাছ কেনার পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ক্রেতা কিওশি কিমুরা সাংবাদিকদের বলেন ,  এই মাছটিকে তিনি  জাপানে রেখে দিতে চান । বিদেশে রপ্তানির বদলে মাছটি জাপানেই থাকুক। জাপানকে দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার পথে এই ঘটনা অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে তার বিশ্বাস।

গত বছর জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ হোক্কাইদোতে একই প্রজাতির ৩৪২ কেজির একটি টুনা মাছ ধরা পড়ে। নিলামের মাছটির সর্বোচ্চ দাম ওঠে ৪ লাখ ডলার। তখন এটিই ছিল কোনও মাছের সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য।

ওই মাছটি যৌথভাবে কেনে হংকং কেন্দ্রিক একটি সুশি চেইন এবং টোকিওর একটি বিখ্যাত রেস্টুরেন্ট।

টোকিওর মাছের বাজারে বছরের প্রথম নিলাম জাপানের নতুন বছর উদযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং অনেক ক্ষেত্রেই সেখানে মাছের দামে নতুন নতুন রেকর্ড হয়।

পৃথিবীর সমুদ্রজাত খাবারের সবচেয়ে বড় ভোক্তা জাপান। আটলান্টিক এবং প্রশান্ত মহাসাগরে ধরা পড়া নীল পাখনার টুনার ৮০ শতাংশই খায় জাপানিরা।

তবে অতিরিক্ত মাছ ধরার ফলে বিপন্নপ্রায় হয়ে পড়ায় বিগত কয়েক বছর ধরে এই ধরনের মাছ ধরায় কিছু নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ২২৩০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৫, ২০১২

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।