মঙ্গলবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে দুর্ঘটনার পরপরই সড়কটি অবরোধ করে অবস্থান নেন শ্রমিকরা। বিকেলে প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি চলছিল।
সেখানে শাহিদা নামে এক শ্রমিক বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের দুই পোশাক শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনায় শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় অবরোধ করছিলাম। পরে আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে গাড়ি-ভাঙচুর শুরু করে।
অবস্থানরত শ্রমিকরা এ ঘটনার বিচার এবং পুলিশের লাঠিচার্জেরও বিচার দাবি করেন।
তেজগাঁও জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার ঘটনাস্থল থেকে বাংলানিউজকে জানান, বাস দুর্ঘটনায় জড়িত চালক ও মালিকপক্ষকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। যেসব পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে তদন্ত করে তাদেরও বিচার করা হবে।
এর আগে দুপুরে সদরঘাট থেকে গাজীপুরগামী সুপ্রভাত পরিবহনের ওই বাস ডিআইটি সড়কে আবুল হোটেলের সামনে নাহিদ পারভীন পলি (১৯) ও মিম (১৩) নামে দুই শ্রমিককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মিমের মৃত্যু হয়। উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয় পলিকেও।
দু’জনে এমএইচ পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। পলি নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার মৃত ইজাজ আহম্মেদের মেয়ে। আর মিম বগুড়ার গাবতলীর উপজেলার সোনাই মিয়া সন্তান। দু’জনে মগবাজার পূর্ব নয়াটোলায় একটি রুমে ভাড়ায় থাকছিলেন।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মোহাম্মদ ফজলুল করিম বলেন, দেড়টায় সুপ্রভাতের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে মিমের মৃত্যু হলেও পলি হাসপাতালে মারা যান। বাসটি জব্দ ও তার চালককে আটক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৪ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০১, ২০১৯
এজেডএস/জিজি/আরআইএস/এইচএ/