ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

সারাদেশ

পুলিশের গাড়ি আটকে ছিনিয়ে নেওয়া হলো আসামি, গাজীপুরজুড়ে তোলপাড়

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট  | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৬:৩২, আগস্ট ২৯, ২০২৫
পুলিশের গাড়ি আটকে ছিনিয়ে নেওয়া হলো আসামি, গাজীপুরজুড়ে তোলপাড় শেখ মামুন আল মুজাহিদ ওরফে সুমন মিয়া

গাজীপুর: গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেংরা এলাকায় পুলিশের গাড়ি আটকে হামলা চালিয়ে একাধিক মামলার আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে তোলপাড় চলছে।

যদিও এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তারও হয়নি। হয়নি মামলাও।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে শ্রীপুর থানার অদূরে টেংরা রাস্তার মোড় এলাকায় ১৫ থেকে ২০ জন দুর্বৃত্ত শেখ মামুন আল মুজাহিদ ওরফে সুমন মিয়াকে (৩৪) ছিনিয়ে যায়।

কিন্তু হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি বা হামলাকারীদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোনো মামলাও হয়নি।

ছিনিয়ে নেওয়া আসামি সুমন মিয়া শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের পাঠানটেক এলাকার মোসলেম উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, শ্রীপুর উপজেলা নান্দিয়া সাঙ্গুন এলাকায় একটি ব্রিজের ওপর থেকে একাধিক মামলার আসামি সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা ও থানা পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে নিয়ে যাচ্ছিল। এক পর্যায়ে বরমী এলাকায় পৌঁছালে সুমন মিয়াকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় তার লোকজন। পরে সাতখামাইর এলাকায়ও তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়। তবে সে চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে শ্রীপুর টেংরা রাস্তামোড় এলাকায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি সুমন মিয়াকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় তিনজন পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এ সময় পুলিশের দুটি গাড়িও ভাঙচুর করে হামলাকারীরা।  

এভাবে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করছে স্থানীয় এলাকাবাসী। তারা এলাকার নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে তুলছেন প্রশ্ন।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ আব্দুল বারিক জানান, শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টা পর্যন্ত ছিনিয়ে নেওয়া আসামি এবং সন্ত্রাসীদের কাউকেই আটক করা যায়নি। এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে ছিনিয়ে নেওয়া আসামিসহ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।  

আরএস/এইচএ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।