মুক্তমত
http://ec.europa.eu/immigration নামে গত নভেম্বর থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অভিবাসনের নয়া নিয়ম-নীতিসহ একটি ওয়েবসাইট প্রকাশ করেছে। অভিবাসীদের জন্য ভিসা
ঢাকা: ‘আমিও তুলে রাখবো এক গোলা সোনা ধান আর এক পাখি জমির আবাদ। সাঁচের পিঠারা সব ভিজবে সারারাত শীতের লাল জ্বালানো রসে। পরদিন পরভাতে
বাংলানিউজে গোলাম আযমের ইন্টারভ্যু’র লাইনে লাইনে উস্কানি, আপাদমস্তক পাকিস্তানপন্থী এই ঘাতক লোকটি স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পরে এসেও
ঢাকা: মতিঝিলে নিহত আরিফুজ্জামান আরিফ স্প্লিন্টারের আঘাতে নিহত হয়েছেন। ময়না তদন্ত শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক
ঢাকা: ‘জল্লাদ বা কসাই হিসেবেই ছিল তার পরিচিতি। আলাদ্দি গ্রামে তার উপস্থিতিতে অন্তত ৩৪৪ জন লোককে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়।
১৯৯০/১৯৯১ সালে রামপুরা রোড থেকে ‘আকর্ষণ’ নামে একটি সাপ্তাহিক বের হতো। আমি কাগজটির নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলাম। আমার সাথে
সিডনি: চৌদ্দ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বিএনপির আলোচনা অনুষ্ঠান দুটিতে খালেদা জিয়া ছিলেন না। দুদিনেই
রাজা-বাদশাদের রাজত্বে টাকা দিয়ে বাঘের দুধ-চোখ কেনা যেতো। এখন রাজা-বাদশাদের চেয়েও ধনী কোটিপতিরা আছেন অগুনতি। বাংলাদেশের নব্য
মাত্র পাঁচজন বাঙালি মুক্তিযুদ্ধের হয়ে কাজ করেছেন অস্ট্রেলিয়ায়! পাঁচজনেই সামাল দিয়েছেন বিশাল এক যুদ্ধ! যতদূর জানা যায়, ১৯৭১ সালে
হটাৎ করেই গত কয়েকদিন ধরে গোলাম আযমকে নিয়ে মিডিয়া কি পরিমান বাণিজ্যই না করলো। বিজ্ঞাপন সংবাদ বিনোদনধর্মী অনুষ্ঠান সব ছাপিয়ে গোলাম
১৬ ডিসেম্বর--- চল্লিশ বছর আগের ঐ দিনটাতে সুখে বিহবল ছিলো বাঙালী। জয় বাংলা আর বিজয়ের উচ্ছাসে লাখো-কোটি জনতা রাস্তায় নেমেছিলো সেদিন ১৬
দাড়ি রেখে, পাঞ্জাবি-টুপি পরে বিসমিল্লাহ বলেও নিঃসঙ্কোচে মিথ্যা বলা যায়। শেষ বয়সে এসে এটা আবারও প্রমাণ করলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার
কানাডার প্রবাসী বাঙালিদের জন্য এটি একটি আনন্দের সংবাদ। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিরল ভূমিকা রাখার জন্য তৎকালীন কানাডার
জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী চলে গেলেন। ৪০তম শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আগের দিনই তিনি চলে গেলেন এই পৃথিবী থেকে। বাংলাদেশের মাহান
সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা ও দারিদ্র্যের হারের একটা নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। ভূমিও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাপ্যতার ভিত্তিতে
যাযাবর জীবনের বিভিন্ন অধ্যায়ে বিভিন্ন ধরনের মানুষের সাথে মেলামেশা করেছি। তাতে বেড়েছে জানা-শোনা ও সম্পর্কের বিস্তৃতি। অনেকের
এই প্রথম একটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হচ্ছে যখন রায়ের বাজার বধ্যভূমি থেকে তোলা সেই বিখ্যাত ছবির অমর আলোকচিত্রগ্রাহক রশীদ
অন লাইন কাগজ বা মিডিয়ার পাঠক-পাঠিকারা মূলত: তরুণ-তরুণী। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নামে পরিচিত এই তারুণ্যের কথা মনে রেখেই কলম সচল রাখা উচিৎ।
স্যার চলে গেলেন! হ্যাঁ, তিনি তো পরিণত বয়সেই চলে গেলেন। তারপরও তাঁর এই মৃত্যু মেনে নিতে পারছে না মন। কারণ, তাঁর মৃত্যুতে আমাদের
টিপাইমুখ এখন সারাদেশে রাজনীতিকদের এক প্রধান ইস্যু। ইস্যুটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ এবং জনগণের এতে সমর্থন থাকাটাই উচিত। সারা
পুরোনো সংবাদ গুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন