আগরতলা (ত্রিপুরা): আবার বড় ধরনের ভাঙনের মুখে ভারতের ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস। রাজ্য কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় কয়েক জন নেতা যোগ দিতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেসে।
তিনি এসে কথা বলে গেছেন রাজ্যের বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতার সাথে। তিনি চলে যাবার পরই কংগ্রেসের ভাঙ্গন নিয়ে জল্পনা আরও ঘনীভূত হয়েছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, চলতি মাসেই হয়তো রাজ্য কংগ্রেসের কিছু মুখ ভিড়ে যাবে ঘাসফুলের দলে।
যতটুকু খবর পাওয়া গেছে, ৪ বা ৫ সেপ্টেম্বর রাজ্য কংগ্রেসের কিছু নেতা যাচ্ছেন কলকাতায়। তারা সেখানে তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জির সাথে দেখা করবেন। মমতার বাড়িতেই ওই নেতারা তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন।
ফেব্রুয়ারি মাসেই হয়ে গেছে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন। নির্বাচনের পূর্বে কংগ্রেস বেশ আশা জাগিয়ে প্রচার শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত তা কাজে আসে নি। বরং গতবারের আসনেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তত তিনটি আসন কংগ্রেস হারিয়েছে অন্তদল কোন্দলে। নির্বাচনের প্রাক মুহূর্ত থেকেই প্রবল গোষ্ঠী কোন্দল জাকিয়ে বসে কংগ্রেসে। নির্বাচন শেষে শোচনীয় পরাজয়ের মধ্যেও কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল ফুরিয়ে যায় নি। তা বরং আরও তীব্র হয়েছে। এই তীব্রতার কিছু নমুনা পাওয়া গেছে দলের নতুন সভাপতি এবং বিরোধী দলনেতা বাছাইয়ের মধ্য দিয়ে। যেখানে একটি লবি গোটা দলের কান্ডারি হয়ে উঠেছে। বাকি সবাই ব্রাত্য।
নিজ দলে অচ্ছুত হয়ে যাওয়া নেতারাই এখন নিজেদের অস্বিত্বের জন্য তৃণমূলে ঝুঁকছে। হয়তো এ মাসেই কিছু নেতা নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় বাঁচিয়ে রাখতে তৃণমূলে যোগ দেবেন। এই দলে রয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা এবং এক প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। বিক্ষুব্ধরাই রাজ্যে ঘুরে ঘুরে এখন অন্য নেতা কর্মীদের কাছে টানছেন। তারা চাইছেন কিছুটা বড়সর দলবল নিয়ে দিদির বাড়িতে ঢুকতে। রাজ্য কংগ্রেসের আড়াআড়ি বিভাজন এখন সময়ের অপেক্ষায়।
বাংলাদেশ সময়: ০৮০০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ০৪, ২০১৩
এসএফআই/আরকে