ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

আন্তর্জাতিক

সঙ্কর ভ্রুণের বানর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৮:৪৬, জানুয়ারি ৬, ২০১২
সঙ্কর ভ্রুণের বানর

ঢাকা: পৃথিবীতে প্রথমবারের মতো সঙ্কর ভ্রুণের বানর ছানা সৃষ্টির কৃতিত্ব দাবি করেছেন একদল মার্কিন গবেষক।

ছয়টি আলাদা ভ্রুণ থেকে কোষ নিয়ে সেগুলোর মিশ্রণে ভ্রুণ তৈরির মাধ্যমে তিনটি সুস্থ বানর ছানা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন তারা।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটাকে একটা বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত পরীক্ষাগারে একাধিক নিষিক্ত ডিম্বানু অথবা সদ্য ভ্রুণের সমন্বয়ে কাঠবিড়ালি বা ইঁদুর জাতীয় প্রাণীর সঙ্কর প্রাণী সৃষ্টির প্রক্রিয়া প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

তবে বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের ভ্রুণ থেকে নির্দিষ্ট জিন অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছেন, যা স্থূলতা, হৃদরোগ, দুশ্চিন্তা, ডায়বেটিস এবং পারকিনসন্সের মতো রোগ থেকে মুক্তির চিকিৎসায় কাজে লাগতে পারে।

ইঁদুরের ভ্রুণের স্টেম সেল পরীক্ষাগারে কালচার করা যায় কিন্তু বানরের ক্ষেত্রে এটা এর আগে কখনও সম্ভব হয়নি। কিন্তু প্রাইমেট (উচ্চ শ্রেণীর স্তন্যপায়ী) প্রজাতির মধ্যে এধরনের পরীক্ষা আগে সফল হয়নি।

সর্ব সাম্প্রতিক এই পরীক্ষায় রেসাস প্রজাতির বানরের ভ্রুণ যখন একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে তখন একাধিক ভ্রুণের কোষ নিয়ে একটি মিশ্র ভ্রুণ তৈরি করা হয়। এই ভ্রুণটি চমৎকারভাবে কাজ করছে বলে জানান বিজ্ঞানীরা।

অরেগন ন্যাশনাল প্রাইমেট রিচার্স সেন্টারে গবেষক শুখরাত মিতালিপভের নেতৃত্বে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে।

প্রথম ধাপে তারা তিনটি সুস্থ রেসার বানরের পুরুষ ছানা সৃষ্টি করতে পেরেছেন। রোকু, হেক্স এবং চিমারো নামের এই তিনটি ছানার জিন এখন একাধিক ভ্রুণের বৈশিষ্ট্য বহন করছে।

এই পরীক্ষার ফলাফল আাগমী ২০ জানুয়ারি সেল সাময়িকীতে প্রকাশ করা হবে।

প্রসঙ্গত, এইচআইভ/এইডস রোগের ওষুধ, জলাতঙ্ক, গুটি বসন্ত এবং পোলিওর প্রতিষেধক তৈরির গবেষণায় বিজ্ঞানীরা রেসাস বানর ব্যবহার করেন। এমনকি রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশ গবেষণার জন্যও এই প্রজাতির বানর ব্যবহার করে থাকে।

বাংলাদেশ সময়: ১৮১১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৬, ২০১২

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।