দোহা: সিরিয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য রোববার বৈঠকে বসছেন আরব লিগের সদস্য দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। সিরিয়াতে তাদের পর্যবেক্ষণ মিশনে সহায়তার জন্য জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চাওয়া হবে কি না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসতে পারে এই বৈঠকে।
প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধে গত ১০ মাস ধরে চলা বিক্ষোভ সহিংসতা বন্ধের জন্য সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতেই সিরিয়ার ওপর শর্ত আরোপ করে আরব লিগ। সেই শর্ত মানা হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণের জন্য একটি দল পাঠানো হয়।
রোববারের বৈঠকে সেই পর্যবেক্ষণের প্রাথমিক প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা হবে বলে আরব লিগ সূত্রে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে সহায়তার জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণের প্রস্তাব করেছে কাতার। সূত্র বলছে, সিরিয়া সরকার বিক্ষোভকারীদের ওপর দমনমূলক আচরণ বন্ধ করেছে কি না তা পর্যবেক্ষণের জন্য জাতিসংঘকে আমন্ত্রণ জানানো উচিত বলে মনে করে কাতার। তবে শর্ত হলো, জাতিসংঘ দলের সদস্যদের আরবীয় হতে হবে।
পর্যবেক্ষক দল সিরিয়ায় স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারার বিষয়টি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হবে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জসিম আল থানি বলেছেন, ‘আরব লিগের শান্তি পরিকল্পনার সঙ্গে একমত হলেও সে অনুযায়ী কাজ করছে না সিরিয়া। সিরিয়াতে পর্যবেক্ষকদের থেকে সময় নষ্ট করার দরকার নেই। রাজপথ থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হয়নি এবং সেখানে হত্যাও বন্ধ হয়নি। ’
এদিকে আরব লিগের সূত্র জানাচ্ছে, বৈঠকে পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর ব্যাপারেই আবার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। কিন্তু সিরিয়ার গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকারীরা এই দলকে নখ দন্তহীন বলেই মনে করছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৭১৬ ঘণ্টা, জানুয়ারি ০৮, ২০১২