তেহরান: তেহরানে পরমাণু বিজ্ঞানী হত্যার পেছনে ওয়াশিংটনের হাত থাকার প্রমাণ আছে বলে দাবি করেছে ইরান।
শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচার করা হয়, তেহরানে পাতানো বোমায় ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যার পেছনে ওয়াশিংটন জড়িত থাকার উপযুক্ত প্রমাণ ইরানের হাতে রয়েছে।
গত বুধবার সকালে তেহরানের ব্যস্ত রাজপথে গাড়ির নিচে পেতে রাখা চৌম্বক বোমার বিস্ফারণে বিজ্ঞানী তার গাড়িরচালকসহ নিহত হন।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে সংশ্লিষ্টতার ইরানি দাবি প্রত্যাখান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দাও জানিয়েছে।
তবে ঘটনার অন্যতম সন্দেহভাজন ইসরায়েল এই ঘটনায় কোনো মন্তব্য করা থেকে এখনও বিরত রয়েছে।
বিজ্ঞানী হত্যায় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ জড়িত থাকার প্রমাণ উল্লেখ করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তেহরানে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসে একটি চিঠি দিয়েছে।
১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর থেকে তেহরানে সুইস দুতাবাস ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।
এদিকে বোমা হামলায় পরোক্ষ ইন্ধন থাকার অভিযোগে ব্রিটেন সরকারের উদ্দেশেও একটি দোষারোপ মূলক চিঠি পাঠিয়েছে ইরান। চিঠিতে ইরানের বিরুদ্ধে গোপন অভিযান পরিচালনার ব্যাপারে ব্রিটেনকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান জন সয়ার ইরানের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা অভিযান শুরুর ঘোষণার পরপরই এই হামলা ঘটে বলে চিঠিতে ব্রিটেনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত দুই বছরে ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি হামলা হয়েছে। এতে কয়েকজন শীর্ষাস্থানীয় বিজ্ঞানী হতাহত হয়েছেন।
বাংলাদেশ সময়: ২০৪৭ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৪, ২০১২