ইসলামাবাদ: পাকিস্তানের উত্তপ্ত রাজনীতি হঠাৎ করে ভিন্ন দিকে মোড় নিচ্ছে। গত শনিবার বৈঠকে
প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি সেনা বাহিনীর গুণগানে মুখর হয়ে উঠলেন।
দেশের নিরাপত্তা, সার্ববৌমত্ব রক্ষায় এবং সংবিধান অনুয়ায়ী চলার পথে সরকার-সেনাবাহিনী সমন্বয় করার পেছনে সামরিক বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন গিলানি।
অথচ এর একদিন আগেই একটি চীনা পত্রিকায় অভিযোগ করেন, সেনা প্রধান আসফাক পারভেজ কায়ানির কর্মকাণ্ড অসংবিধানিক।
গত শনিবার মন্ত্রিপরিষদের নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির বৈঠকে গিলানি বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যই সময়ের দাবি। পাকিস্তানের জাতীয় স্বার্থকে এগিয়ে নিতে সব সংগঠন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সীমার মধ্যে থেকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। ’
সরকার সেনা বাহিনীর সঙ্গে কোনও দ্বন্দ্বে যেতে চায় না এ বিষয়টা পরিষ্কার করে দিয়েছেন তিনি। তিনি এও আশা করেন, সামরিক বাহিনী এবং বিচারবিভাগ সংবিধান নির্ধারিত ক্ষমতার বাইরে কিছু করবে না।
বৈঠকে গত ২৬ নভেম্বর মার্কিন বাহিনীর হামলায় ২৪ জন পাক সেনা নিহত হওয়ার ঘটনার মার্কিন প্রতিবেদন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- তথ্য, প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র ও অর্থমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তারা।
এই প্রথম প্রতিরক্ষা কমিটির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পুরো বিবৃতি পাকিস্তান টেলিভিশন সম্প্রচার করেছে।
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো- বৈঠকে আইএসআই পরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুজা পাশা উপস্থিত ছিলেন না।
বাংলাদেশ সময়: ১৭০৪ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৫, ২০১২