ইয়ংগুন: আসন্ন উপনির্বাচনে জিতলে সরকারে কেমন পদ পেতে চান মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি? এ ব্যাপারে রোববার একটু ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
সাংবাদিকদের কাছে তিনি বলেছেন, ‘এটা পরিস্থিতি এবং কোন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট হবে তার ওপর নির্ভর করছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পেলে কেমন হতো, সাংবাদিকদের এই কথায় মৃদু হেসে এই নোবেল জয়ী নেত্রী বলেন, ‘তাহলে এই বিষয়টা নিয়ে খুব গুরুত্ব সহকারে ভাবতে হবে। ’
মিয়ানমারে সমরিক জান্তার রোষাণলে পড়ে দীর্ঘদিন গৃহবন্দি থাকার পর ২০১০ সালের নভেম্বরে মুক্তি পেয়েছেন সু চি।
বর্তমানে দেশটির সেনা সমর্থিত সরকার রাজনৈতিক সংস্কারের পদেক্ষপ নিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় সু চির দল বৈধতা পেয়েছে এবং নতুন করে নিবন্ধন করেছে।
আগামী ১ এপ্রিল রাজধানী ইয়াঙ্গুনের নিকটবর্তী একটি আসনে উপ-নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন সু চি।
আসন্ন উপনির্বাচনে ৪৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এর মধ্যে নিম্নকক্ষের ৪০টি, উচ্চকক্ষের ৬টি এবং স্থানীয় আই্নপরিষদের ২টি আসন রয়েছে।
এদিকে রোববার সু চি ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলাইন জুপ্পির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। মিয়ানমারে ফ্রান্সের কোনো শীর্ষস্থানীয় কূটনীতিকের এটাই প্রথম সফর।
বাংলাদেশ সময়: ১৮১১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৫, ২০১২