এথেন্স: ইউরোজোনের চলমান সংকটের কারণে গ্রীসের ঋণের হারের ওপর এখন নির্ভর করছে ইউরোজোনের অর্থমন্ত্রীরা। একটু দেরিতে হলেও এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
এথেন্সের জন্য নতুন করে দ্বিতীয় কি বেলআউট নির্ধারন করা হবে এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন তারা।
সম্প্রতি কিছু দেশের ঋণের কারণে অনেক প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান গ্রীস থেকে কোন চুক্তি ছাড়াই চলে যায়। আর তখনই গোটা বিষয়টি তাদের আলোচনায় আসে।
ঋণদাতাদের সংগঠন দ্য ইন্সটিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাইনান্স জানায়, এ ব্যাপারে একটি বিশেষ টিম কাজ করছে যারা এর বিস্তারিত বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা করবে।
যদি গ্রীস আগামি দুই মাসের মধ্যে তাদের ঋন পরিশোধ করতে পারে তবে অইএমএফ এবং ইউ ১৩০ বিলিয়ন ইউরোর একটি নতুন প্যাকেজ ঘোষণা করবে।
কিন্তু দ্বিতীয় বেইলআউটের পূর্বে গ্রীসের পক্ষে এটি পরিশোধ করা সম্ভব নয়। আগামী মার্চে দ্বিতীয় বেইলআউট ঘোষণা করার কথা রয়েছে। গ্রীসের ঋনের পরিমান ১৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ইউরো।
যদি গ্রীস এই অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় তবে এটি ইউরোজোনের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রোববার জার্মানির অর্থমন্ত্রী উলফগেংগ বলেন, এথেন্সকে এমন একটি নীতি নির্ধারন করতে হবে যা ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে।
সোমবার এ ব্যাপারে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় একজন অর্থনীতিবিদ বলেন, ইউরোজোনের এই প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে শীথিল হয়ে পড়বে।
এদিকে সোমবার ডলার এবং ইয়েনের বিপরীতে ইউরোর দাম কমে গেছে। এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা মন্ত্রীদের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৫৮ ঘন্টা, জানুয়ারি ২৩, ২০১২