কায়রো: মিশরের নবনির্বাচিত পার্লামেন্টের সদস্যরা প্রথমবারের মত অধিবেশনে মিলিত হলেন সোমবার । মোবারক বিরোধী আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে নীরবতা পালনের মাধ্যমে এ অধিবেশন শুরু হয়।
বস্তুত সোমবারের এ অধিবেশনের মাধ্যমে মিশর একটি নতুন রাজনৈতিক পটভূমিতে প্রবেশ করলো বলে মনে করা হচ্ছে।
ব্যাপক গণআন্দোলনের মুখে সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মোবারকের পতনের পর মিশরে সবদলের অংশগ্রহনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। একটি অন্তর্বতীকালীন সামরিক পরিষদের নিয়ন্ত্রণে মিশরের ইতিহাসের সবচেয়ে অবাধ এই নির্বাচন প্রায় তিন মাস ধরে কয়েক দফায় অনুষ্ঠিত হয়।
মিশরের নবনির্বাচিত পার্লামেন্টে বর্তমানে ইসলামপন্থীদের নিরঙ্কুশ প্রাধান্য। দেশটির প্রধান ইসলামপন্থি রাজনৈতিক সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুড সমর্থিত ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টি ২৩৫ আসন পেয়ে বর্তমানে সংখ্যাগরিষ্ঠ । এছাড়া অপেক্ষাকৃত কট্টরপন্থি সালাফিস্ট সমর্থিত দল আল নুর পার্টি ১২১ টি আসন পেয়ে র্পালামেন্টে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে।
এই অধিবেশনে একজন স্পিকার এবং দুজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করা হতে পারে বলে জানায় সংবাদ মাধ্যম । স্পিকারের অবর্তমানে পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন উদারপন্থি নিউ ওয়াফদ পার্টি থেকে নির্বাচিত পার্লামেন্ট সদস্য মাহমুদ আল সাকা। ৮১ বছর বয়সী এই ব্যক্তি মিশরের নবনির্বাচিত পার্লামেন্টের সবচেয়ে বয়স্ক সদস্য।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৪ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৩, ২০১২