শুক্রবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনকালে শিক্ষকেরা এ ঘোষণা দেন।
শিক্ষার মানোন্নয়নে ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেকায়েপ প্রকল্পের অধীনে ২৫০ উপজেলার ২ হাজার ১০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে ৫ হাজার ২০০ অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষক (এসিটি) নিয়োগ দেয়।
আন্দোলনরত শিক্ষকেরা জানান, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর তাদের চাকরি স্থায়ীকরণ করার কথা। কিন্তু গত এক বছর পেরিয়ে গেলেও তা করা হয়নি।
তাই এ দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি, প্রতীকী অনশন ও অনশন কর্মসূচি পালন করে আসছেন এসিটি শিক্ষকেরা।
আন্দোলনরতদের প্রতিনিধি বাংলাদেশ অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষক অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কৌশিক চন্দ্র বর্মন বলেন, রোববারের (১০ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে চাকরি স্থায়ীকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে আমরণ অনশন কর্মসূচিতে যাবেন তারা।
এ সময় অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় নেতা রুমেল হায়দার, ইফতি রহমান, আনোয়ারুল ইসলাম, আতিকুর রহমান ও আব্দুর রশিদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
বাংলাদেশ সময়: ১২২০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০১৯
টিএম/এমএ