কিশোরগঞ্জ: বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান বলেছেন, একলা নির্বাচন করলে ৩টা সিট পাবে
না, কিন্তু ৩০০ সিটের পাওয়ার দেখাইতেছে এখন। সমস্ত প্রশাসন দখল করে বসছে জামায়াত।
মঙ্গলবার (০১ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে কিশোরগঞ্জের হাওরের ইটনা উপজেলা সদরের পুরান বাজার এলাকায় ঈদ পুনর্মিলনী ও পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেন, আপন ভাইয়ের সন্তানের জ্বালায় জান বাঁচে না, আবার সৎ ভাইয়ের সন্তানেরা আইছে। কারা? যারা ওই মুক্তিযুদ্ধের সময় দালালি করছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা রাজাকার-আলবদর ছিল। তৌহিদি জনতা আমার পোস্টারে কেন জুতা মারেন? মারেন, আমার কপালেও মারেন। কারণ, এই দেশ স্বাধীন করে আপনাদের মাফ করছি বলেই তো বেঁচে আছেন।
তিনি আরও বলেন, আমি জামায়াতের আমিরকে জিজ্ঞেস করব, আমি একটা কথা মিছা কইছি কি না? তাহলে আপনার শিবির ও জামায়াতের কর্মীরা আমারে এত বকাবকি করে কেন? আমারে ফজু পাগলা কয় কেন? ঠিক আছে আপনারা পাল্লা (দাড়িপাল্লা প্রতীক) নিয়া করবেন, আমরা ধানের শীষ নিয়া করব। পাবলিককে ডিসিশন নিতে দেন। পাবলিক যারে ভোট দেবে, হে দেশ চালাইব। খালি বকাবকি করেন কেন? আর পেছন দিক দিয়ে কালো অন্ধকারে বসে কুট কুট করেন কেন? ১০ বছর কেমনে বিনা ভোটে থাকা যায়। কারণ জানেন, ভোট করলে জামানত থাকবে না। কূটকৌশল করে ক্ষমতায় থাকতে চান। এইটা কইলেই ফজলুর রহমান খারাপ।
ইটনা উপজেলার স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইটনা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এম এ ছালেক। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমানের স্ত্রী জেলা বিএনপির সহসভাপতি আইনজীবী উম্মে কুলসুম রেখা, ইটনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর, উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. মনির উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলমসহ আরো অনেকেই।
বাংলাদেশ সময়: ২১০৮ ঘণ্টা, এপ্রিল ০২, ২০২৫
এসএএইচ