ঢাকা: ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেছেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রা বিনিময়ে ব্যবস্থা করতে উভয় দেশ নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে চায়না মিডিয়া গ্রুপ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে মুদ্রা বিনিময় বিষয়ে বেশ কয়েকটি বৈঠক হয়েছে। তারা নীতিগতভাবে মুদ্রা বিনিময় করতে সম্মত হয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক সুইফট ব্যতীত অন্য কোনো বিকল্প কারেন্সি এক্সচেঞ্জ সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত না থাকায় বিনিময় ব্যবস্থায় কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চীনা রাষ্ট্রদূত জানান, দুই দেশই মুদ্রা বিনিময় প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে কাজ করছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চায়না স্টাডি সেন্টার খোলার উদ্যোগ নিয়েছে চীন। তিনি দাবি করেছেন যে বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে একজন চীনা স্কলার নেই। পশ্চিমা মিডিয়া প্রায়ই চীন সম্পর্কে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে ও দুর্ভাগ্যবশত অনেক বাংলাদেশি মিডিয়া সেসব খবর পরিবেশন করে। তিনি সবাইকে ক্রস চেকের মাধ্যমে চীন সম্পর্কিত সত্য সংবাদ প্রচারের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে চীনের ২০তম জাতীয় কংগ্রেসের একজন প্রতিনিধি ও ওই দেশের মিডিয়া গ্রুপের এশিয়া ও আফ্রিকান বিভাগের মহাপরিচালক আন জিয়াও ইউ বেইজিং থেকে এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন।
আন জিয়াও ইউ তার বক্তৃতায় বলেন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ২০তম জাতীয় কংগ্রেস সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে চীনের আরও উন্নয়নের সামগ্রিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। চীনের নতুন যাত্রা মানেই নতুন উন্নয়ন। চীনের নতুন উন্নয়ন বিশ্বের জন্যও একটি নতুন সুযোগ নিয়ে এসেছে।
এছাড়া চীনা দূতাবাসের কালচারাল কন্সুলার ইউ লি ওয়েন, বাংলাদেশে চাইনিজ এন্টারপ্রাইজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কে চ্যাং লিয়াং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন, চায়না মিডিয়া গ্রুপের বাংলা বিভাগের তথ্য ও লেখালেখির মাধ্যমে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে তথ্য ও সংস্কৃতির আদান-প্রদান জোরদার হচ্ছে। এই তথ্য বিনিময় দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ককে দৃঢ় করতে অবদান রাখছে।
বাংলাদেশ সময়: ২২৩৮ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৮, ২০২২
টিআর/এফআর